আমাদের মৌসুমি আম
পরিপক্ব অবস্থায় হাতে বাছাই করা — বিশ্বখ্যাত মিষ্টি ও মাখনের মতো স্বাদ নিশ্চিত।
পণ্য লোড হচ্ছে — অনুগ্রহ করে নিশ্চিত করুন ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাকএন্ড চালু আছে।
কেন অনলাইন থেকে আম কিনবেন?
মান, নিরাপত্তা ও বিশ্বাসের প্রতিটি ধাপে আমরা দিচ্ছি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি।
সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর নির্বাচিত আমবাগান হতে সংগ্রহ করা পরিপক্ব আম।
গাছেই পরিপক্ব করা হয়; কার্বাইড, ফরমালিনসহ সকল ক্ষতিকর কেমিক্যাল থেকে মুক্ত।
কোনো আম নষ্ট/পচা/খাওয়ার অনুপযুক্ত হলে সম্পূর্ণ টাকা রিটার্ন গ্যারান্টি।
দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে ঘরে বসেই ডেলিভারি পাওয়ার সুযোগ।
পণ্য হাতে পাওয়ার পর দেখে পেমেন্ট করার সুবিধা (ক্যাশ অন ডেলিভারি)।
মজবুত প্যাকেজিং ও দ্রুত কুরিয়ার সাপোর্টে নিরাপদে আম পৌঁছে যায়।
আমাদের সরবরাহ প্রক্রিয়া
পরিকল্পিত প্রতিটি ধাপে যত্ন নিয়ে সেরা মানের আম পাঠানো হয়।
বাছাই প্রক্রিয়া
শুধুমাত্র গাছের পরিপক্ব কাঁচা আম বাছাই করে গ্রাহকের কাছে পাঠানো হয়।
পাকা আম পাঠানো হয় না
গাছে অতিরিক্ত পাকা আম পাঠানো হয় না, যাতে পথে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
নিরাপদ প্যাকেজিং
মজবুত কার্টন ও কুশনিং দিয়ে ভালোভাবে প্যাকিং করা হয়।
দ্রুত ডেলিভারি
দেশের সুবিধাজনক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ডেলিভারি।
ক্ষতিকর কেমিক্যাল এর পরিচয়
সাধারণ বাজারে আমের সঙ্গে দ্রুত পাকার জন্য ও দীর্ঘ সময় টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের ঝুঁকি থাকে।
০১. কার্বাইড
অনেক ব্যবসায়ী দ্রুত পাকার জন্য কার্বাইড ব্যবহার করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
০২. ফরমালিন
দীর্ঘ সময় সতেজ দেখাতে কিছু ক্ষেত্রে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়, যা ক্ষতিকর।
আমরা আমাদের পণ্যে এই ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করি না।

প্রাকৃতিকভাবে স্বাস্থ্যকর
খাঁটি স্বাদের পাশাপাশি আমাদের আম আপনার দৈনন্দিন পুষ্টির চমৎকার উৎস।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ত্বকের জন্য উপকারী।
আঁশযুক্ত
হজম ও হৃদযন্ত্রের জন্য চমৎকার।
প্রাকৃতিক মিষ্টি
দারুণ স্বাদ ও প্রাকৃতিক এনার্জির উৎস।
প্রিজারভেটিভমুক্ত
১০০% প্রাকৃতিকভাবে পরিপক্ব।

ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা
হাজারো পরিবার উপভোগ করছেন খাঁটি স্বাদের প্রাকৃতিক আম।
“বছরের এই সময়ের জন্য সারাবছর অপেক্ষা করি। আমগুলো আঁশবিহীন আর দারুণ মিষ্টি — পরিবারের সবাই তৃপ্তি নিয়ে খেয়েছে।”
মাজহারুল ইসলাম
ডেমরা, ঢাকা
“দ্রুত ডেলিভারি আর প্যাকেজিং চমৎকার, একটি আমও থেঁতলে যায়নি। সাতক্ষীরার হিমসাগরের স্বাদই আলাদা।”
রায়হান
নারায়ণগঞ্জ
“সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, কোনো কেমিক্যাল নেই। বাক্স খুললেই সাতক্ষীরার হিমসাগরের মিষ্টি ঘ্রাণ — বছরের সেরা আম।”
নিশাত
খুলনা
খাঁটি আমের স্বাদ নিন
ঢাকাসহ সারাদেশে দ্রুত ও নিরাপদ ডেলিভারি। হাজারো সন্তুষ্ট ক্রেতার মতো আপনিও আস্থা রাখুন আমাদের আমে।
আপনার বাসার পাশেই তো আম পাওয়া যায়, তাহলে বেশি দাম দিয়ে অনলাইন থেকে আম কিনবেন কেন?
আসলে বাসার পাশের আম আর অনলাইন থেকে কেনা আম দুটোই একই এলাকার আম। একই জায়গার আম। পার্থক্য হলো- বড় আড়ৎদার ও পাইকারগণ বাগান থেকে টনে টনে আম কেনার পর সেই আমগুলোতে একটা ঔষধ প্রয়োগ করেন, যেটার কাজ হলো গাছের আধাপাঁকা আমগুলোকে দ্রুত একরাতের মধ্যে পাকিয়ে ফেলা। কারণ- খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের হাতে পাঁকা ও কালারফুল আম দিতে হবে। কাঁচা আম তারা কিনবে না। খুচরা বিক্রেতারা আড়ৎ থেকে আম কেনার পর তাদের দুইটা বিষয় প্রয়োজন হয়।
০১. ক্রেতাদের কাছে পাঁকা আম বিক্রি করা।
০২. পেঁকে যাওয়া আমগুলো যেন পঁচে না যায় তার ব্যবস্থা করা।
পাইকারী ব্যবসায়ীরা যেহেতু আম পাকানোর ঔষধ ‘কার্বাইড’ প্রয়োগ করেছে, এখন পেঁকে যাওয়া আমকে পচন থেকে রোধ করতে খুচরা ব্যবসায়ীরা সমান তালে আমের মধ্যে ‘ফরমালিন’ দিতে থাকে। যে ফরমালিন মূলত মৃতপ্রাণীকে সংরক্ষণ করতে ব্যবহার করা হয়। আর সকলেই জানেন কার্বাইড ও ফরমালিন উভয়টিই আপনার আমার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
এই জায়গাটায় অনলাইন আম বিক্রেতারা ভিন্ন। তারা সাধারণত ফলে কার্বাইড ও ফরমালিন ব্যবহার করেন না। কারণ- কুরিয়ারে গ্রাহকের কাছে আম পৌঁছতে মিনিমাম ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। এই আমে যদি কার্বাইড ব্যবহার করা হয়, তবে গ্রাহকের হাতে পৌঁছতে পৌঁছতে এই আম পঁচে যাবে।
অপরদিকে অনলাইনের আম গ্রাহকের হাতে পৌঁছার পর যেহেতু অল্প অল্প করে খেয়ে ফেলেন, তাই সেই আমে ফরমালিন প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না।
একটা ঝামেলা হয়ে যায়- অনলাইনের আম বেশি দামে কিনতে হয়। আসলে এখানে অনলাইন ব্যবসায়ীরা আপনাদেরকে বাজারের চেয়েও কম মূল্যে আম সরবরাহ করতে পারতেন। কিন্তু এখানে বাঁধ সাধে কুরিয়ার কোম্পানীর অতিরিক্ত চার্জ ও প্যাকেজিং খরচ। দেশের সবগুলো কুরিয়ার কোম্পানী হোম ডেলিভারীর জন্য চার্জ করছে প্রতি কেজিতে ২৬ টাকা! আর ক্যারেট ও প্যাকেজিং কস্ট পড়ছে প্রতি কেজিতে ১৮-২০ টাকা! মানে এখানেই চলে যাচ্ছে ৪৬ টাকা। তাহলে আমের দাম কোথায় আর প্রফিট কোথায়?
এই ঝামেলায় মূলত আমের দাম বেড়ে যায়।
অতএব, নিজের বাবা-মা, সন্তান, পরিবার-পরিজনকে প্রচণ্ড স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচাতে মেডিসিনমুক্ত আম খাওয়ান। মেডিসিন মুক্ত আম খেতে অনলাইনে আম কিনুন। আর আপনাদের কাছে যদি বিশ্বস্ত মনে হয়, তবে আমের জন্য GOOD FOOD থেকে আম কিনুন।